#কামিকা_একাদশী_মাহাত্ম্য
#কামিকা_একাদশী_মাহাত্ম্য
===================
শ্রাবণ
মাসের কৃষ্ণপক্ষীয় তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয় সেই একাদশীর নাম কামিকা একাদশী।
এই একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য ব্রক্ষ্মবৈবর্ত পুরাণে খুব সুন্দর করে বর্ণনা করা
রয়েছে। আর সেখান থেকেই আপনাদের কাছে শেয়ার করছি।
এই
ব্রত সম্পর্কে জানবার জন্য মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণের কাছে জানতে চেয়ে বলেছিলেন
– হে
বাসুদেব! শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয় তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয় সেই একাদশীর নাম
কি এবং এ একাদশীর মাহাত্ম্যইবা কী? কৃপা করে সবিস্তারে
আলোচনা করুণ।
উত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বল্লেন – হে রাজন! আপনার পূর্বেই এই বিষয়ে দেবর্ষি নারদ প্রজাপতি ব্রহ্মার কাছ থেকে সবিস্তারে জ্ঞাত হয়েছেন। আমি আপনাকে প্রজাপতি ব্রক্ষ্মা যেমন করে বলেছিলেন তেমন করেই পূনরায় বলছি, আপনি মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করূণ।
একদা
এক সময়ে নারদ ব্রহ্মার কাছে জানতে চেয়ে বলেছিলেন – হে ঈশ্বর! শ্রাবণ
মাসের কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয় এই একাদশীর নাম কি, এই
একাদশী পালনের মাহাত্ম্যই বা কি,
এই একাদশীর আরাদ্ধ দেবতা কে, এই
একাদশী পালনে কি ফল লাভ হয়?
কৃপা করে এই সকল বিষয় সবিস্তারে বর্ণনা করে
জ্ঞাত করুণ।
উত্তরে
ব্রহ্মা বললেন – হে
বৎস! তুমি যে প্রশ্ন করেছো সেটা দ্বারা মনুষ্য জাতি অনেক উপকৃত হবেন। আর সেটার
জন্য আমি সবিস্তারে বর্ণনা করছি,
তুমি মনস্তির করে শ্রবণ করো।
তুমি
যে একাদশীর কথা শ্রবণ করতে ইচ্ছা পোষণ করছো সেই একাদশী ‘কামিকা’ নামে
জগতে প্রসিদ্ধ। এই একাদশী পালনে সকল পাপ মোছন হয়ে যাই। এছাড়াও এই একাদশী পালনে
বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ প্রাপ্ত হয়। ভগবান শ্রীহরি এই একাদশীর দেবতা বলে গন্য করা
হয়। যে সকল ব্যাক্তি পাপের জন্য মহা সাগরে ডুবে থাকেন তারা ভক্তি ভরে এই ব্রত
পালনের মাদ্ধমে সকল পাপ থেকে মুক্তি পেয়ে থাকেন। যে সকল ব্যাক্তিরা এই ব্রত পালনের
সময় রাত্রী জাগরণের মাধ্যমে ঈশ্বরের কাছে যাই চাওয়া হোক না কেনো সেটাই ঈশ্বর তাকে
প্রদান করে থাকেন। যে ব্যাক্তি তুলসীপত্র দ্বারা পূজা করে থাকেন তাদের সকল পাপ দূর
হয়ে থাকে।
পোষ্টটি শেয়ার করে সনাতন ধর্ম প্রচারে সাহায্য করুন ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।সাথেই থাকুন, উপকারী মনে করলে অবশ্যই শেয়ার করুন। হরেকৃষ্ণ।