পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ষটতিলা একাদশী মাহাত্ম্য :

ছবি
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে এই একাদশীর মাহাত্ম্য় বর্ণনা করেছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ জানান যে , মাঘ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের একাদশী ষটতিলা বা পাপহারিণী একাদশী নামে প্রসিদ্ধ। এই একাদশী সমস্ত পাপ নাশ করে। এই তিথিতে তিলের তৈরি খাবার খেলে বা তিল ভর্তি পাত্র দান করলে অনন্ত পুণ্য ফল লাভ করা যায়। পদ্মপুরাণে বর্ণিত রয়েছে যে , কোন ব্যক্তি তিল বপন করার পর তার থেকে যত শাখা উৎপন্ন হয় , তত হাজার বর্ষ পর্যন্ত সেই ব্যক্তি স্বর্গ লোকে স্থান লাভ করতে পারে। শাস্ত্র মতে ষটতিলা একাদশী ব্রত করলে ব্যক্তির আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়। পাশাপাশি ব্যক্তি সমস্ত ধরনের পাপ থেকে মুক্তি পায়। কন্যা দান , সহস্র বর্ষের তপস্যা ও স্বর্ণদানের ফলে যে ফল পাওয়া যায় , তার চেয়েও বেশি ফলদায়ী ষটতিলা একাদশী ব্রত পালন করা। পরিবারের উন্নতিতে এই ব্রত সহায়ক। এই একাদশী ব্রত পালন করলে ব্যক্তি বিষ্ণুলোকে গমন করে। ষটতিলা একাদশী ব্রত কথা : প্রাচীনকালে এক বিধবা ব্রাহ্মণী বাস করতেন। বিষ্ণুর প্রতি তাঁর অটুট শ্রদ্ধা - ভক্তি ছি...

সফলা একাদশী মাহাত্ম্য :

ছবি
পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ‘ সফলা। ব্রহ্মান্ডপুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এই তিথির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।   যুধিষ্ঠির বললেন - হে প্রভু ! পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম , বিধি এবং পূজ্যদেবতা বিষয়ে আমার কৌতুহল নিবারণ করুন।   শ্রীকৃষ্ণ বললেন - হে মহারাজ ! আপনার প্রতি স্নেহবশত সেই ব্রত কথা বিষয়ে বলছি। এই ব্রত আমাকে যেরকম সন্তুষ্ট করে , বহু দানদক্ষিণাযুক্ত যজ্ঞাদি দ্বারা আমি সেইরকম সন্তুষ্ট হই না। তাই যত্নসহকারে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য।   পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম ‘ সফলা। না গদের মধ্যে যেমন শেষনাগ , পক্ষীদের মধ্যে গরুড় , মানুষের মধ্যে ব্রাহ্মণ , দেবতাদের মধ্যে নারায়ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ; তেমনই সকল ব্রতের মধ্যে একাদশী ব্রতই সর্বশ্রেষ্ঠ।   হে মহারাজ ! যারা এই ব্রত পালন করেন , তারা আমার অত্যন্ত প্রিয়। তাদের এজগতে ধনলাভ ও পরজগতে মুক্তি লাভ হয়। হাজার বছর তপস্যায় যে ফল লাভ হয় না , একমাত্র সফলা একাদশীতে রাত্রি জাগরণের ফলে তা অনায়াসে ...