চলছে পুরুষোত্তম মাস বা মলমাস । স্মার্তগণ পুরষোত্তম মাস বা অধিমাসকে ‘ মলমাস ’ বলে এই মাসে সমস্ত শুভকার্য পরিত্যাগ করে থাকেন । কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই মাসকে পারমার্থিক মঙ্গলের জন্য অন্য সকলমাস থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে নির্ণয় করেছেন । তিনি নিজের নামানুসারে এই মাসের নাম ‘ পুরুষোত্তম ’ মাস রেখেছেন । যুধিষ্ঠির বললেন - হে জনার্দন ! আমি বহুধর্ম ও ব্রতের কথা শুনেছি । এখন পুরুষোত্তম মাসের সর্বপাপবিনাশিনী ও পুন্যদায়িনী শুক্লপক্ষীয় ‘ পদ্মিনী ’ একাদশীর কথা আমার কাছে বর্ণনা করুন । যা শ্রবন করলে পরমপদ প্রাপ্ত হওয়া যায় । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন - দশমীর দিন থেকেই ব্রতের শুরু হয় । কঁসার পাত্রে ভোজন , মসুর , ছোলা , শাক এবং অপরের অন্ন ও আমিষ দশমীর দিন বর্জন করতে হয় । পরের দিন প্রাতঃকৃত্যের পর সুগন্ধী ধূপ , দীপ , চন্দনাদি দিয়ে ভগবানের পূজা করতে হয় । রাত্রিতে জাগ্রত থেকে ভগবানের নাম ও গুণ কীর্ত্তন করতে হয় । এরপর ভগবান শ্রীগোবিন্দ এই পদ্মিনী একাদশী ব্রতের একটি ইতিহাস বর্ণনা করলেন ...